জাতীয়
মূল্যস্ফীতির কষাঘাতে অনাহারে দিন কাটছে বাংলাদেশি পোশাক শ্রমিকদের
চলমান মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান ১২,৫০০ টাকার (১০২ ডলার) ন্যূনতম মজুরি দিয়ে মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পেরে শ্রমিকেরা দ্বিগুণ অর্থাৎ ৩০, পিছনের বকেয়া ও নতুন মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। আন্দোলনের মুখে সরকার একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করলেও শ্রমিকদের বিক্ষোভ থামেনি। রাজধানী ঢাকার আশুলিয়া, গাজীপুর ও মিরপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার কাছে সাভারের একটি পোশাক কারখানার ৩২ বছর বয়সী সেলাই অপারেটর লাইলি বেগম জানান, তার ১৫ ও ১২ বছর বয়সী দুই সন্তান অর্থাভাবে এ বছর স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে। বর্তমান আয়ে দিনে একবেলা ঠিকমতো খাবার জোটাতেও হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। গ্যাসের দাম ও অন্যান্য খরচ মেটাতে না পেরে অনেক সময় তারা বাতিল কাগজ পুড়িয়ে রান্না করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছর ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিম্ন আয়ের এই শ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড যেমন এইচঅ্যান্ডএম, জারা, লেভি স্ট্রাউস ও ওয়ালমার্ট বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান ক্রেতা। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে এই খাত থেকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো ন্যায্য মূল্যে পোশাক না কিনলে এবং কারখানা মালিকদের ওপর চাপ বজায় রাখলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকার দ্রুত মজুরি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ ও জীবনযাত্রার মানসম্মত মজুরির দাবি জানিয়ে আসছেন।
উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড যেমন এইচঅ্যান্ডএম, জারা, লেভি স্ট্রাউস ও ওয়ালমার্ট বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান ক্রেতা। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে এই খাত থেকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো ন্যায্য মূল্যে পোশাক না কিনলে এবং কারখানা মালিকদের ওপর চাপ বজায় রাখলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকার দ্রুত মজুরি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ ও জীবনযাত্রার মানসম্মত মজুরির দাবি জানিয়ে আসছেন।