বাণিজ্য ও অর্থনীতি
শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা হারাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রুয়ান্ডা, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশটির বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট শর্ত ও যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রুয়ান্ডা। এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবে দক্ষিণ আফ্রিকা, যা এজিওএ (AGOA)-এর আওতায় মার্কিন বাজারে গাড়ি ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে আসছিল। ওয়াশিংটন ও দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও নীতিগত দূরত্বের জেরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আল জাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়, এজিওএ সুবিধার আওতায় থাকতে হলে দেশগুলোকে বাজারভিত্তিক অর্থনীতি, সুশাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বাধা দূর করার মতো শর্তগুলো পূরণ করতে হয়। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, রুয়ান্ডায় মানবাধিকার ও আইনের শাসনের ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে মার্কিন বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি, দুর্নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থী বৈদেশিক নীতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
বিশেষ করে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) দক্ষিণ আফ্রিকার জেনোসাইড মামলা দায়ের করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গদের ওপর নির্যাতনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আসছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এবং বিকল্প বাজার বা চীনের মতো নতুন অংশীদারদের সাথে বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, এজিওএ সুবিধার আওতায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে মোটর গাড়ি ও যন্ত্রাংশ, লোহা, ইস্পাত এবং কৃষিপণ্য ও ওয়াইন। অন্যদিকে রুয়ান্ডার প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো কফি, চা ও খনিজ পদার্থ।
বিশেষ করে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) দক্ষিণ আফ্রিকার জেনোসাইড মামলা দায়ের করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গদের ওপর নির্যাতনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আসছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এবং বিকল্প বাজার বা চীনের মতো নতুন অংশীদারদের সাথে বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, এজিওএ সুবিধার আওতায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে মোটর গাড়ি ও যন্ত্রাংশ, লোহা, ইস্পাত এবং কৃষিপণ্য ও ওয়াইন। অন্যদিকে রুয়ান্ডার প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো কফি, চা ও খনিজ পদার্থ।