আন্তর্জাতিক
কীভাবে ভারত প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করেছে, আর কেনই বা বাড়ছে বৈষম্য
বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, এই ১২ বছরের মধ্যে ভারতে চরম দারিদ্র্যের হার ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে মাত্র ২.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। শক্তিশালী ভোগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির কারণেই এই অভাবনীয় অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক উন্মুক্তকরণের পর থেকে দেশটিতে ধনবৈষম্য এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ ডলার দৈনিক আয়ের চরম দারিদ্র্যসীমার মাপকাঠিতে ভারতে চরম দারিদ্র্য ব্যাপকহারে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, দেশটির নিম্ন-মধ্যম আয়ের দারিদ্র্যসীমা ($৪.২০ দৈনিক) অনুযায়ী, প্রায় ৪৯৬ মিলিয়ন বা প্রায় ৫০ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং এই সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার হার ৫৭.৭ শতাংশ থেকে কমে ১৬.১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংক এই অগ্রগতির প্রশংসা করে একে বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম দারিদ্র্য হ্রাস বলে অভিহিত করেছে।
ভারতের এই সাফল্যের পেছনে বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক স্কিম, গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, খাদ্য ভর্তুকি এবং স্যানিটেশন ও সুপেয় পানির মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দারিদ্র্য দূর হলেও সমাজে সম্পদের অসম বণ্টনের কারণে বৈষম্য তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০২৬ সালের বিশ্ব বৈষম্য প্রতিবেদন (World Inequality Report) অনুযায়ী, ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে জাতীয় আয়ের প্রায় ৫৮ শতাংশ জমা হয়েছে, যেখানে তলানির ৫০ শতাংশ মানুষ পাচ্ছে মাত্র ১৫ শতাংশ। এছাড়া উচ্চ যুব বেকারত্ব এবং স্থবির প্রকৃত মজুরি নিয়ে অর্থনীতিবিদরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ভারতের এই সাফল্যের পেছনে বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক স্কিম, গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, খাদ্য ভর্তুকি এবং স্যানিটেশন ও সুপেয় পানির মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দারিদ্র্য দূর হলেও সমাজে সম্পদের অসম বণ্টনের কারণে বৈষম্য তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০২৬ সালের বিশ্ব বৈষম্য প্রতিবেদন (World Inequality Report) অনুযায়ী, ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে জাতীয় আয়ের প্রায় ৫৮ শতাংশ জমা হয়েছে, যেখানে তলানির ৫০ শতাংশ মানুষ পাচ্ছে মাত্র ১৫ শতাংশ। এছাড়া উচ্চ যুব বেকারত্ব এবং স্থবির প্রকৃত মজুরি নিয়ে অর্থনীতিবিদরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।