সংবাদ
মাঠে সংঘর্ষের পর মারা গেলেন স্প্যানিশ ফুটবলার জেসুস ডি মিগুয়েল
স্প্যানিশ লা লিগা ২-এর ম্যাচে আন্দ্রোরার (FC Andorra) মুখোমুখি হয়েছিল টেনেরিফ। খেলার শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত সময়ে আন্দ্রোরার গোলরক্ষক জেসুস ওভোনোর সাথে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ৩০ বছর বয়সী জেসুস ডি মিগুয়েল। পরবর্তীতে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার পথে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
আল জাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্রয়ের পথে ছিল এবং নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়ের সাত মিনিট খেলা চলছিল। মাঠের মাঝমাঠের দিকে বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময় আন্দ্রোরার গোলরক্ষক জেসুস ওভোনোর হাঁটু সোজাসুজি ডি মিগুয়েলের বুকে আঘাত করে। তৎক্ষণাৎ মাঠে লুটিয়ে পড়েন এই ফরোয়ার্ড।
ঘটনার পরই রেফারি গোলরক্ষক ওভোনোকে লাল কার্ড দেখান এবং মাঠে দ্রুত ছুটে আসেন চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়েরা। ম্যাচটি এরপর আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, রেফারি তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, সান্তা ক্রুজের ‘হাসপাতাল ইউনিভার্সতারিও দে নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে কান্দেলারিয়া’-তে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হন তিনি। পরে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ক্লাবটির পক্ষ থেকে এক শোকবার্তায় জানানো হয়, এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে স্তব্ধ ও শোকাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সবার প্রতি গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঘটনার পরই রেফারি গোলরক্ষক ওভোনোকে লাল কার্ড দেখান এবং মাঠে দ্রুত ছুটে আসেন চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়েরা। ম্যাচটি এরপর আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, রেফারি তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, সান্তা ক্রুজের ‘হাসপাতাল ইউনিভার্সতারিও দে নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে কান্দেলারিয়া’-তে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হন তিনি। পরে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ক্লাবটির পক্ষ থেকে এক শোকবার্তায় জানানো হয়, এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে স্তব্ধ ও শোকাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সবার প্রতি গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।