আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য তিন ধাপের পরিকল্পনা অনুসরণের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—১. স্থিতিশীলতা আনয়ন, ২. অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও রাজনৈতিক সমঝোতা এবং ৩. গণতান্ত্রিক রূপান্তর। এদিকে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশে ফিরে ২০২৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন। তবে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে ওয়াশিংটনের সদ্য স্বাক্ষরিত তেল চুক্তি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
আল জাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক আটকের প্রায় এক বছর পর ওয়াশিংটনে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ধারাবাহিক ধাপগুলো অনুসরণের মাধ্যমেই কেবল দেশটিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
গত সপ্তাহে দীর্ঘ ১০ মাস পর ভেনেজুয়েলায় ফিরে আসা বিরোধী নেত্রী এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এমন একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছেন যা ২০২৭ সালে ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম করবে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকারের সাথে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর তেল উত্তোলনের যে চুক্তি হয়েছে, সেটিকে অপর্যাপ্ত ও অস্বচ্ছ বলে সমালোচনা করেছেন মাচাদো।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে একটি বড় তেল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে মার্কিন কোম্পানি ও পেন্টাগন দেশটির বিশাল তেল খাতের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সুবিধা লাভ করেছে।
গত সপ্তাহে দীর্ঘ ১০ মাস পর ভেনেজুয়েলায় ফিরে আসা বিরোধী নেত্রী এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এমন একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছেন যা ২০২৭ সালে ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম করবে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকারের সাথে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর তেল উত্তোলনের যে চুক্তি হয়েছে, সেটিকে অপর্যাপ্ত ও অস্বচ্ছ বলে সমালোচনা করেছেন মাচাদো।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে একটি বড় তেল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে মার্কিন কোম্পানি ও পেন্টাগন দেশটির বিশাল তেল খাতের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সুবিধা লাভ করেছে।